বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যে পঞ্চগড়ে শুরু জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ মাইকে ঘোষণা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, সড়কে মিলল হাত-পা বাঁধা মরদেহ বিরিয়ানির লোভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার ২ রেকর্ড টানা ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে মিললো চিরকুট
সালিশে মিমাংসা শেষে কোলাকুলির সময় গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা

সালিশে মিমাংসা শেষে কোলাকুলির সময় গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরে একটি সালিশ বৈঠকে কোলাকুলির সময় এক কিশোরের গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাটগোবিন্দপুর কালিতলা এলাকায়। আহত কিশোর স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ মৃধার ছেলে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী বিল্লাল মৃধা ও আনোয়ার মৃধার পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ এবং থানায় পাল্টাপাল্টি মামলাও হয়।

এই বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে স্থানীয় নুরুদ্দিন শেখের বাড়িতে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সালিশের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে ভোলা মোল্যা নামের এক ব্যক্তি কিশোরটির গোপনাঙ্গ চেপে ধরেন। এতে কিশোরটি অসুস্থ হয়ে পড়ে, বমি করে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কিশোরের বাবা আজাদ মৃধা অভিযোগ করে বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে তারা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করে আসছে। সালিশে আমার ছেলেকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে অণ্ডকোষ চেপে ধরে। এখনো সে সুস্থ হয়নি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত পক্ষের বিল্লাল মৃধা বলেন, ঘটনাটি অন্যায় হয়েছে এবং সালিশে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তর্ক-বিতর্কের জেরে তার এক আত্মীয় এ কাজ করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া জানান, বিরোধ মেটাতে সালিশ ডাকা হয়েছিল এবং মীমাংসাও হয়ে যায়। পরে কোলাকুলির সময় ঘটনাটি ঘটে, যা দুঃখজনক।

অন্যদিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com